সরাসরি মূল অংশে যান

ইউজড ও ইমপোর্টেড ল্যাপটপ বিক্রেতাদের জন্য

ইউজড ল্যাপটপ বেচুন, কাস্টমার যা জানতে চান তা সামনে রেখে

প্রতিটা মেশিনের কন্ডিশন, ব্যাটারি আর রিপেয়ার লেখা থাকে, দাম ঠিক হয় একটা একটা করে, আর লাভে রিপেয়ারের খরচও ধরা থাকে।

এক কথায়

ইউজড আর ইমপোর্টেড ল্যাপটপের ব্যবসায় LaptopERP প্রতিটা ইউনিটের কন্ডিশন, ব্যাটারি হেলথ (০ থেকে ১০০%), ব্যাটারি ব্যাকআপ আর রং লিখে রাখে, প্রতিটা ইউনিটের আলাদা দাম রাখতে দেয়, রিপেয়ারের খরচ ইউনিটের খরচে যোগ করে, আর বিক্রি করা সিরিয়াল আবার কিনে নিলে নিজের ইতিহাসসহ নতুন হিসাব হয়।

যে ঝামেলা মেটায়

  • “রিপেয়ারের খরচ খাতায়”

    প্রতিটা রিপেয়ার ইউনিটের খরচে যোগ হয়।

    রিপেয়ার খরচ
  • “দুটো “একই রকম” ল্যাপটপ, ব্যাটারি আলাদা”

    প্রতিটা ইউনিটের নিজের দাম।

    সিরিয়াল ধরে স্টক
  • “নষ্ট ফেরত মাল আবার বিক্রি হয়ে যায়”

    নষ্ট ফেরত মাল সাপ্লায়ারের জন্য আলাদা থাকে।

    ফেরত ও ওয়ারেন্টি

দোকানের একটা দিন

দোকান খোলা থেকে বন্ধ পর্যন্ত

  1. সকাল ১০:০০

    ২৫টা ইমপোর্টেড ইউনিটের একটা লট এলো

    প্রতিটা ইউনিটের ব্যাটারি হেলথসহ পারচেজ।

  2. দুপুর ১২:০০

    তিনটা গেল রিপেয়ারে

  3. দুপুর ২:০০

    রিপেয়ার শেষ

    খরচসহ লেখা হলো।

  4. বিকেল ৪:০০

    ফোনে একজন খোঁজ নিলেন

    ব্যাটারি ধরে সাজানো স্টক লিস্ট দেখে উত্তর।

  5. সন্ধ্যা ৬:০০

    একটা বিক্রি

    ৭ দিনের রিপ্লেসমেন্টসহ।

  6. সন্ধ্যা ৭:০০

    একটা ফেরত কেনা

    গত বছর বেচা একটা ল্যাপটপ নতুন হিসাব হয়ে ফিরল।

হাতে-কলমে হিসাব

একই মডেল, ব্যাটারি আলাদা

একই মডেলের দুটো ইউনিট: ব্যাটারি 92%, দাম ৳46,500; ব্যাটারি 71%, দাম ৳42,000। 71%-এরটা কেনা ৳36,000-এ, আর কিবোর্ড রিপেয়ারে লেগেছিল ৳2,500।

  • বিক্রি (71% ব্যাটারি)৳42,000
  • কেনা−৳36,000
  • কিবোর্ড রিপেয়ার−৳2,500
লাভ৳3,500

প্রশ্ন

যা সবাই জানতে চান

সব প্রশ্ন

হ্যাঁ, প্রতিটা ইউনিটে ০ থেকে ১০০%, সাথে ব্যাটারি ব্যাকআপ, কন্ডিশন আর রং।

আপনার দোকানে কেমন চলবে, দেখে নিন

স্টক, বিক্রি আর ব্রাঞ্চ আপনি কীভাবে সামলান, আমাদের বলুন। সেই মতো কাজগুলো চালিয়ে দেখাব, আর যা এখনও তৈরি হয়নি, সেটাও সোজাসুজি বলে দেব।